ঢাকা, বুধবার, ১৬ জুন ২০২১

বাংলাদেশকে টিকা দেবার বিষয়ে যা জানালো ভারতীয় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়

বিডিশিক্ষা অনলাইন ডেস্ক

২০২১-০৬-০৪ ১৪:১৬:৩৮ /

ফাইল ছবি
দেশের প্রায় ১৫ লক্ষ মানুষ প্রথম দফায় ভারত থেকে পাওয়া টিকা নিয়ে বসে রয়েছেন। আশায় আছেন পরবর্তী ডোজের জন্য। অনেকের দ্বিতীয় ডোজ নেবার ২ মাস সময় পার হয়েছে বেশ আগেই।

আজ (৪ জুন) ভারতীয় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় হতে জানানো হয়েছে ভারতের বর্তমান অবস্থা বিবেচনায় কোন ক্রমেই টিকা রপ্তানি সম্ভব নয়। বরঞ্চ ভারতই ঝুঁকছে বিভিন্ন দেশ হতে টিকা আমদানির দিকে।

বিষয়টি নিয়ে আজ দিল্লীতে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র অরিন্দম বাগচীকে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, “আপনারা জানেন যে, প্রতিষেধক এবং অন্যান্য সরঞ্জাম বাইরের দেশগুলিতে রফতানির ক্ষেত্রে ভারতই সবার আগে ছিল। কিন্তু আমরা এখন বাইরে থেকে সরবরাহ (প্রতিষেধক) আমদানিকেই নিশ্চিত করতে বিভিন্ন পদক্ষেপ করছি। সেই প্রেক্ষাপটে প্রতিষেধক রফতানির করার প্রশ্ন ওঠাটাই ঠিক নয়। আমরা এখন ঘরোয়া প্রতিষেধক তৈরির কর্মসূচিকেই মূল লক্ষ্যবস্তু করেছি।”

তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন যে, প্রতিষেধক রফতানির প্রশ্নই উঠছে না। তার কারণ দেশে যে ভাবে টিকাকরণ করা সম্ভব হবে বলে ধরে নেওয়া হয়েছিল তার ধারকাছ দিয়েও যেতে পারেনি মোদী সরকার। কিন্তু সেই সঙ্গে এই বিতর্কও উঠছে যে, কেন্দ্র নিজে থেকেই বারবার বাংলাদেশ-সহ গোটা বিশ্বকে আশ্বস্ত করেছিল ‘বসুধৈব কুটুম্বকম’-এর নীতির কথা বলে। এপ্রিলের গোড়ায়, অর্থাৎ ভারতে কোভিডের দ্বিতীয় ঢেউ আছড়ে পড়ার ঠিক আগে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী রাইসিনা সংলাপে জানিয়েছিলেন, স্বাস্থ্য ক্ষেত্রে ভারতের যে-টুকু সম্পদ তা গোটা বিশ্বের সঙ্গে ভাগ করে নেওয়াতেই বিশ্বাস করে তাঁর সরকার। তাই পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বিস্মিত হলেও টিকা রফতানির বিষয়টিকে প্রাসঙ্গিক বলেই মনে করছে কূটনৈতিক মহল।

এ প্রসঙ্গে বাংলাদেশের বক্তব্য, ভারতের আশ্বাসের প্রেক্ষিতে অন্য কোনও দেশের দিকে তাকানো হয়নি। এমনকি প্রাথমিক ভাবে ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছিল চিনকেও। ঢাকা সূত্রের বক্তব্য, ‘‘উপায়ান্তর না দেখে সেই এখন চিনেরই দ্বারস্থ হতে হচ্ছে। যদিও আমরা এখনও জানি না, যাঁরা ভারতের কাছ থেকে প্রথম ডোজ় নিয়ে বসে রয়েছেন তাঁদের এখন প্রোটোকল কী হবে?’’ বাংলাদেশ সূত্রে অবশ্য এ কথাও জানা যাচ্ছে, পররাষ্ট্র সচিব এবং বাংলাদেশে নিযুক্ত প্রাক্তন ভারতীয় হাইকমিশনার হর্ষবর্ধন শ্রিংলা বেশ কিছু দিন আগেই ঘরোয়া ভাবে ঢাকাকে সতর্ক করেছিলেন। জানিয়েছিলেন, বাংলাদেশ যেন তাদের নাগরিকদের জন্য প্রতিষেধকের বিকল্প ব্যবস্থা করতে শুরু করে। কারণ, অন্য দেশকে দেওয়ার মতো বাড়তি টিকা ভারতের হাতে নেই।

সূত্রঃ আনন্দবাজার পত্রিকা।

বিডি-শিক্ষা//আলম

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর

তিমির পেটে গিয়েও যেভাবে জীবিত বেরিয়ে এলেন তিনি

তিমির পেটে গিয়েও যেভাবে জীবিত বেরিয়ে এলেন তিনি

বাংলাদেশকে টিকা দেবার বিষয়ে যা জানালো ভারতীয় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়

বাংলাদেশকে টিকা দেবার বিষয়ে যা জানালো ভারতীয় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়

করোনার ভারতীয় একটি প্রজাতির জন্য উদ্বিগ্ন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা

করোনার ভারতীয় একটি প্রজাতির জন্য উদ্বিগ্ন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা