ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ৫ আগস্ট ২০২১

অনুমতি ছাড়া স্কুল স্থানান্তর, উপজেলা শিক্ষা অফিসারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছে কর্তৃপক্ষ

অনলাইন ডেস্ক

২০২১-০৭-২১ ২৩:৩৭:০১ /


ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের অনুমোদন না নিয়ে পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার ছয়টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় স্থানান্তর করা হয়েছে। বিদ্যালয়গুলোর নকশা পরিবর্তনের ক্ষেত্রেও কোন অনুমোদন নেওয়া হয়নি। এই ঘটনায় কলাপাড়া উপজেলা শিক্ষা অফিসারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর।

শিক্ষা অফিসারের কাছে ব্যাখ্যা চাইতে বরিশাল বিভাগীয় উপপরিচালককে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া বিদ্যালয় স্থানান্তরের যৌক্তিকতা তুলে ধরে সাত দিনের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে।

জানতে চাইলে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আলমগীর মুহম্মদ মনসুরুল আলম বলেন, ‘নিয়ম হলো, কোনও বিদ্যালয় যদি স্থানান্তর করতে হয়, অধিদফতরের অনুমোদন নিতে হবে। কোনও ক্ষেত্রে মন্ত্রণালয়েরও অনুমোদন নিতে হয়। কিন্তু আমাদের জানানো হয়নি। এ জন্য সংশ্লিষ্টদের শোকজ করা হয়েছে। আমরা তো স্থানান্তরে বাধা দেবো না। কিন্তু অনুমোদন নিতেই হবে। এখন সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবো। তাদের ছেড়ে দিলে স্থানীয়ভাবে এমন আরও সিদ্ধান্ত নেওয়া শুরু হবে।’

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, পায়রা বন্দর কর্তৃপক্ষের জমি অধিগ্রহণের কারণে প্রকল্প এলাকা থেকে দুটি ইউনিয়নের ছয়টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় অন্যত্র স্থানান্তর করার প্রয়োজন হয়। বিদ্যালয় ছয়টি সরিয়ে নেওয়ার আগে প্রকল্প এলাকা থেকে অধিবাসীদেরও স্থানান্তর করা হয়েছে। যেসব এলাকায় স্থানীয় অধিবাসীদের সরিয়ে নেওয়া হয়েছে সেই এলাকাতেই বিদ্যালয়গুলো নেওয়া হয়েছে। কিন্তু এ কাজে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের অনুমোদন নেওয়া হয়নি।

বিদ্যালয় স্থানান্তরের চূড়ান্ত অনুমোদন নিশ্চিত করতে সম্প্রতি নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাঠায়। এতে স্থানান্তরের বিষয়টি জানতে পারে মন্ত্রণালয় এবং অধিদফতর। এ ঘটনায় গত জুনের মাসিক সমন্বয় সভায় উপজেলা শিক্ষা অফিসারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মিজানুর রহমান বলেন, ‘পায়রা বন্দরের জন্য জমি অধিগ্রহণ করতে গিয়ে দুই ইউনিয়নের ছয়টি বিদ্যালয় স্থানান্তর করা জরুরি ছিল। এটি প্রধানমন্ত্রীর অগ্রাধিকার প্রকল্প। জমি অধিগ্রহণ করতে গিয়ে বিদ্যালয়গুলো এলাকার মানুষদের কাছাকাছি স্থানে নেওয়া হয়েছে। উপজেলা শিক্ষা অফিসার প্রক্রিয়ায় ভুল করেছেন। সরেজমিন তদন্ত হলে এ নিয়ে সমস্যা হবে না।’সূত্রঃ বাংলা ট্রিবিউন

বাংলাদেশ শিক্ষা/এফএ

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর

গণটিকাদান কার্যক্রমে শিক্ষকদের সহযোগিতার নির্দেশনা

গণটিকাদান কার্যক্রমে শিক্ষকদের সহযোগিতার নির্দেশনা

ডেঙ্গু রোধে সকল প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য যে নির্দেশনা দিল ডিপিই

ডেঙ্গু রোধে সকল প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য যে নির্দেশনা দিল ডিপিই

১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবস পালনে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মসূচি

১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবস পালনে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মসূচি